দেশের প্রত্যেকটি মানুষের কথা বিবেচনায় রেখেই আসন্ন জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের প্রতিটি নাগরিকের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কাউকে বাইরে রাখা হবে না। মানুষের সুবিধা-অসুবিধা এবং জীবনযাত্রার মানের বিষয়গুলো মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।’
মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় বাজেটে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবার সুখ-দুঃখের কথা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। বাজেট প্রণয়নের সময় সাধারণ মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’
আগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছে নতুন নির্বাচিত সরকার। এটি হবে বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট, যেখানে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
সূত্র জানায়, আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার ব্যয় প্রাক্কলন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই বিপুল বাজেটের অর্থায়নকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়ন ব্যয়ের কার্যকর বাস্তবায়নসহ বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের বিষয়ও উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অন্তর্বর্তী সরকার ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিল, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় সাত হাজার কোটি টাকা কম ছিল। সে হিসাবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেট প্রায় ১৯ শতাংশ বড় হতে যাচ্ছে। যদিও অতীতে সাধারণত বাজেটের আকার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেত, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা থেকেই এবার বাজেটের পরিসর বড় হচ্ছে।


