পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পরও খুব বেশি উচ্ছ্বসিত দেখা যায়নি Najmul Hossain Shanto-কে। ম্যাচসেরা পুরস্কার হাতে নিয়েও বাংলাদেশ অধিনায়কের চোখেমুখে ছিল শান্ত ও সংযত অভিব্যক্তি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সতীর্থদের প্রশংসায় ভাসালেও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে যেন পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন তিনি।
বড় জয়ের নায়ক নাজমুল
এই টেস্টে ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন নাজমুল।
- প্রথম ইনিংসে খেলেছেন গুরুত্বপূর্ণ সেঞ্চুরি
- দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ৮৭ রান
- নেতৃত্বেও দেখিয়েছেন পরিণত সিদ্ধান্ত
তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে বড় জয় তুলে নেয়।
তবু কেন এত শান্ত?
জয়ের পরও নাজমুলের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ব্যক্তিগত আক্ষেপের বিষয়টি।
নিজের ইনিংস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, প্রথম ইনিংসটি আরও বড় করতে পারলে ভালো হতো। কঠিন উইকেটেও আরও বেশি রান করার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি মিস করার হতাশাও হয়তো ভেতরে কাজ করছিল।
প্রশংসায়ও গলেন না অধিনায়ক
সংবাদ সম্মেলনে একের পর এক প্রশংসাসূচক প্রশ্ন এলেও নাজমুল ছিলেন সংযত। নিজের ফর্ম নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি দলীয় পারফরম্যান্সকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
স্যার ডন ব্র্যাডম্যান কিংবা জর্জ হেডলির সঙ্গে তুলনা টানা হলে হাসতে হাসতেই সেটি এড়িয়ে যান তিনি।
দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি
ব্যক্তিগত আক্ষেপ থাকলেও দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে খুশি বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এই ম্যাচে:
- পেসারদের দারুণ বোলিং
- স্পিন আক্রমণের ধার
- মিডল অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিং
সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ দল হিসেবেই নিজেদের প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ।
সামনে আরও ভালো করার লক্ষ্য
নাজমুল মনে করেন, ওপেনার ও টপ অর্ডার আরও ভালো শুরু দিতে পারলে দল ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
তার মতে, এখন দলের যেকোনো জায়গা থেকে অবদান আসছে, যা টেস্ট ক্রিকেটে বড় আত্মবিশ্বাস তৈরি করছে।


