শেফিল্ড: শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে যোগ দেওয়ার এক দিন পরই মাঠে নামতে হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে। ব্র্যামল লেনে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম একাদশে সুযোগ পান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শেফিল্ড।
তবে ম্যাচে হামজার শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। রাইটব্যাক হিসেবে খেলতে নামা এই বাংলাদেশি ফুটবলার ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বোল্টনের উইঙ্গার থিয়েরি গ্যালের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হন। গ্যালে বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে ক্রস করেন। হামজা সামনে থাকলেও সেটি আটকাতে পারেননি। তাঁর সতীর্থ প্রথম ক্রস ঠেকালেও ফিরতি বল থেকে গোল করেন বোল্টনের জাভিয়ের সিমন্স।
এরপর অবশ্য শেফিল্ড দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে। প্রথম গোল হজমের মাত্র তিন মিনিট পর জাফেট ট্যানগ্যাঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।
বিরতির আগে হামজার সামনে গোল করার একটি ভালো সুযোগও এসেছিল। তবে সেটি কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও শেফিল্ড একবার পিছিয়ে পড়ে। ৬৭ মিনিটে বোল্টন গোল করে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেও এক মিনিট পরই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের গোলে আবার সমতায় ফেরে শেফিল্ড।
শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে রোমেল ডনোভানের গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
ম্যাচ শেষে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার হামজাকে ১০-এর মধ্যে ৫ রেটিং দিয়েছে। তাদের মূল্যায়নে, ম্যাচে হামজা পুরোপুরি ছন্দে ফিরতে পারেননি এবং রাইটব্যাক পজিশনেও তাঁকে স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি।
তবে জয় দিয়ে শেফিল্ডে ফেরার পর সন্তুষ্ট হামজা। ম্যাচ শেষে তিনি ব্র্যামল লেনে ফিরে আসার অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং সতীর্থদের লড়াইয়ের প্রশংসা করেন।
গত ৩১ আগস্ট লেস্টার সিটি থেকে স্থায়ীভাবে শেফিল্ড ইউনাইটেডে যোগ দেন হামজা। এর আগে গত মৌসুমে ধারে এই ক্লাবের হয়ে ১৯ ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্সে শেফিল্ড প্লে-অফ ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত সান্দারল্যান্ডের কাছে হেরে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার সুযোগ হাতছাড়া করে।

