স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঈদের আগে ও পরে মোট ১৪ দিন দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যা পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে পরিচালিত হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। সভায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় ধর্মমন্ত্রী, বিজিএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে। তিনি জানান, পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটি ও বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং সড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
চাঁদাবাজির কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে—বিরোধী দলের এমন অভিযোগের জবাবে মন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রভাব যেন বাংলাদেশে না পড়ে, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


