Homeবাণিজ্যচট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন ঘিরে নাটক, ভোটের আগেই সরে দাঁড়াল এক প্যানেল

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন ঘিরে নাটক, ভোটের আগেই সরে দাঁড়াল এক প্যানেল

দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। নানা আইনি জটিলতা, আদালতের স্থগিতাদেশ এবং একাধিকবার ভোট পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে শনিবার ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ভোটের মাত্র এক দিন আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ব্যালট পেপারে তাদের প্রার্থীদের নাম থাকছে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমিটি গঠন করা হয়। এবারের নির্বাচনে দুটি বড় প্যানেল অংশ নেয়—এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ এবং আমিরুল হকের নেতৃত্বে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম।

চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ শ্রেণিতে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণিতে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ থেকে ৩ জন করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এসব পরিচালকের ভোটে পরে সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করা হবে। সাধারণ শ্রেণিতে এবার ৩৭ জন এবং সহযোগী শ্রেণিতে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ী মহলে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। একাধিক রিট, আদালতের শুনানি এবং তফসিল পরিবর্তনের কারণে প্রায় ২০ মাস ধরে নেতৃত্বশূন্য রয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভোটের পরিবেশ তৈরি হলেও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

এরই মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের নেতা এস এম নুরুল হক নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশনা ও বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই তড়িঘড়ি নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ঈদের আগ মুহূর্তে অল্প সময়ের নোটিশে ভোট আয়োজন করায় অনেক ব্যবসায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না।

অন্যদিকে নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা ও আইন মেনেই নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে এবং সুষ্ঠু ভোটের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ