এআই নজরদারিতে ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শুরু

0
28
এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা প্রতীকী ছবি।
রাজধানীতে ট্র্যাফিক পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হরহামেশাই আইন ভাঙেন চালকরা। তবে এখন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিলেও আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের (এআই) ক্যামেরাকে ফাঁকি দেয়া যাবে না। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট, বিজয় সরণি, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে শুরু হয়েছে এআই মনিটরিং। মোট ২৪টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এসব পয়েন্টে।
নতুন এই প্রযুক্তি ধাপে ধাপে কাজ করে। আইন ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন শনাক্ত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কন্ট্রোল সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে তথ্য। সেখান থেকে ই-প্রসিকিউশন শাখায় অনুমোদনের পর দায়ের হচ্ছে মামলা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্র্যাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট বা টিটিইউ, এআই থেকে ডিটেক্ট হওয়া আইন ভঙ্গকারী যানবাহনের ভিডিও ও ছবিগুলো সার্বক্ষণিক যাচাই-বাছাই করে।
সড়কে আপাতত ৫ ধরনের অপরাধ করলেই মামলা করছে এআই। লালবাতি অমান্য, স্পট লাইট অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, অবৈধ পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করা এবং লেফট লেন ব্লক করলেই ডাকযোগে যানবাহনের মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে মামলার নোটিশ।
ডিএমপি আইসিটি বিভাগের উপকমিশনার খালেদা বেগম বলেন, যেসব চালক নিয়ম ভঙ্গ করবে, তাদের তথ্য বিশেষ করে লাইসেন্স প্লেট- নম্বর ও ছোট একটি ভিডিও পাঠাবে এআই। এই তথ্য থেকে আমরা ব্যক্তিকে শনাক্ত করে মামলা করব। এমনকি দ্রুত গতির যানবাহনও যদি হয়, তাও ক্যামেরা শনাক্ত করতে পারবে এমন ক্যামেরাই স্থাপন করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, ঢাকায় মোট ১২০টি পয়েন্টে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্র্যাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, ৮০ শতাংশ তথ্য শনাক্ত না করতে পারলে আমরা কিন্তু মামলা করছি না। একইভাবে মামলার পর চালকে নিজের তথ্য যাচাই ও প্রমাণের সুযোগ দিচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য সচেতনতা তৈরি করা।
মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই দুইশোর বেশি মামলা করেছে এআইভিত্তিক এই প্রযুক্তি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রযুক্তি সংযোজনের ফলে শহরে ট্র্যাফিক জ্যাম কমতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here