ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা আজ (রোববার) রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ জানাজায় অংশ নিতে দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানীতে সমবেত হয়েছেন।
সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি, জানাজার নামাজে কে ইমামতি করবেন। তবে জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় পুরো অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তেহরানে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সূত্র জানিয়েছে, জানাজা শেষে খামেনির মরদেহ রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হবে। আগামী কয়েক দিন পর্যায়ক্রমে শোকমিছিল ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিপুল জনসমাগমের কারণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং জনসাধারণকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাজধানী তেহরানে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ উপস্থিত হন। কালো পোশাক ও লাল পতাকা হাতে শোক প্রকাশ করেন অনেকে। বিভিন্ন স্থানে স্লোগানও দিতে দেখা যায় সমর্থকদের।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, সোমবার রাজধানীতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ পর্যায়ক্রমে কোম, ইরাক এবং শেষ পর্যন্ত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে নেওয়া হবে, যেখানে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।
খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে উপস্থিত হননি।

